হযরত খানজাহান আলী (রঃ) এর পূণ্যভূমি বাগেরহাটের প্রাণকেন্দ্রে ১৯৬৫ সালে ৩ দশমিক ৫০ একর জমির ওপর 'ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিআই)' নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। এখানে ১৯৯৫ সালে এসএসসি (ভোকেশনাল) এবং ১৯৯৭ সালে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করে কর্তৃপক্ষ। এরপর ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয় 'বাগেরহাট সরকারি কারিগরি বিদ্যালয় ও কলেজ' নামে। তখন থেকে এসএসসি এবং এইচএসসির (ভোকেশনাল) চারটি ট্রেডে শিক্ষার্থীদের যে বিষয়গুলো পড়ানো হয় সেগুলো হলো—কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি, জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং, ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে চার বছরের ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়, যা ২০১৯ সাল থেকে বন্ধ আছে। পরিবেশ না থাকলে যেমন আমাদের সমাজের কোন অস্তিত্ব থাকবে না, তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুন্দর পরিবেশ না থাকলে তাও সংকটের মুখে পড়ে। বাগেরহাট সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ সুন্দর পরিবেশ নিয়ে স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়ে আছে। আর এই সুন্দর পরিবেশের ভেতর দিয়ে ছাত্র ছাত্রীরাও সুন্দর ও সুগঠিত জীবন নিয়ে বেড়ে উঠে। কোলাহলমুক্ত সুশৃঙ্খল ও উন্মুক্ত পরিবেশ গড়ে উঠেছে বলে ছাত্র ছাত্রীদের মেধার বিকাশ ঘটে সাবলীলভাবে এবং অত্র প্রতিষ্ঠান দক্ষ শিক্ষক / শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালিত হয়।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস